চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শুভ—লক্ষ্মীপুরের এই যুবক আজও বেঁচে আছে তার মাথায় গুলি নিয়ে। একটি চোখ হারিয়েছে সে। কেউ খোঁজ নেইনি। ১০০ দিন ধরে আহত অবস্থায় কাতরানো আবদুল্লাহ পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছে। অথচ তার জানাযাতেও কেউ গেল না। আহতের সংখ্যা হাজার-হাজার, যারা এখনো হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে। এ কেমন বিপ্লব, যেখানে তরুণদের রক্ত আর যন্ত্রণা কেবল উপেক্ষার শিকার হয়?
জীবন, চোখ, মুখ, হাত-পা দিয়েছে ওরা—কিন্তু উপদেষ্টা হয়ে আপনারা শুধু চেয়ার গরম করছেন। এই সরকার কি সত্যিই বিপ্লবের প্রতিনিধিত্ব করে? তারা যারা রক্ত ঝরিয়েছে, যারা জীবন দিয়েছে, তাদের জায়গায় আজ বসে আছে অথর্ব উপদেষ্টারা। গণহত্যার কোনও বিচার হয়নি, উল্টো হত্যাকারীদের দোসরদের উপদেষ্টা বানিয়ে বসানো হয়েছে। এই অন্তর্বর্তী সরকার কোনও বিপ্লবী সরকার নয়। বিপ্লবীদের ত্যাগকে সম্মান জানাতে, তাদের দিয়েই সরকার পুনর্গঠন করতে হবে।
আজ ১০০ দিন পর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ অসহায়। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, রাস্তায় পুলিশ পর্যন্ত দেখা যায় না। একটি জাতি এভাবে চলতে পারে না। যারা পারেন না, গদি ছাড়ুন। এ দেশের তরুণ বিপ্লবীরা জানে কীভাবে রক্তের মূল্য দিয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হয়। আপনারা না বুঝলে সময়ই তাদের জবাব দিবে।
মো: তানজিম হোসাইন,
শিক্ষক ও সাংবাদিক
Leave a Reply